পীর


If You Have Problem With Bangla Download This Software

পীরদের সম্পর্কে বিশুদ্ধ ধারনা / Right knowledge About PiR

 

You Will Success If you Use Brain.exe -You Will Fail If You Use Cheat or Trainer

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

আসসালামু অলাইকুম

পীর কি ও কেন?

পীর মানে বড় শিক্ষক বা মুরুব্বী।

প্রচলিত কারন –

  • আমরা ধর্ম নিয়ে বেশি কিছু জানি না এই জন্য পীর দের কাছে যায়,তারা আমাদের কে সঠিক শিক্ষা দিবে এবং ভাল ভাল আমল শিখেয়ে দেয় যাতে করে আমরা সহজে জান্নাতে যেতে পারি। আমরা জানি পীর ২ প্রকার ভাল পীর ও ভুয়া বা ভন্ড পীর বা খারাপ পীর।আমাদের পীর ভাল পীর।পীর চাইলে আমাদেরকে জান্নাতে নিয়ে যেতে পারে ,পীরদের অনেক ক্ষমতা  কিছু অলৌকিক ক্ষমতাও আছে ,পীররা আল্লাহর কাছে সুপারিশ করতে পারে।(নাউজুবিল্লাহ)

  • আমরা ধর্ম নিয়ে বেশি কিছু জানি না কেন?আমরা কি করে জানব আমরা কোন পথে যাচ্ছি ?৬ টা হাদিসের বই এখন বাংলায় কম দামে সব খন্ড একএে সব বই এর দোকানে পাওয়া যায়।আপনি আল্লাহর দুনিয়াতে এক কাঠা জমি কেনার জন্য কতোই না কষ্ট করেন , আর আল্লাহর জান্নাতে একটু জায়গার জন্য আপনি কষ্ট করবেন না?

সত্য কারন –

  • পীররা মানুষ ও আল্লাহর মধ্য এক প্রকার দালাল। পীররা মানুষদের কে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে থাকে । কোন অধিকার ? সকল মানুষের অধিকার সে আল্লাহর কাছে সরাসরি কামনা করবে বা ডাকবে । সে যেই হোক কেন -কানা ,খোঁড়া ,রিক্সা ওয়ালা ,ফকির- মিসকিন ,বড় লোক ,গরীব লোক এইটা সকল লোকের অধিকার যা আল্লাহ সবাইকে দিয়েছে এবং এই মর্যাদা সবার আছে ।

  • সুরা বাকারা (২) ৪৫ নং আয়াত – আল্লাহ বলছেন – তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো।

  • টাকা ইনকামের একটি পথ ।আপনাদের কাছে টাকা চাইলে আপনারা দিবেন না  তাই টাকা নেওয়ার এইটা একটা পদ্ধতি।

  • বাইরের (কিছু দেশের )কিছু শক্তিও এর পিছনে কাজ করে যাতে মুসলমানরা এক না হতে পারে।

সুরা আন আম (৬) ৪০ নং আয়াত – হে মোহাম্মদ (সাঃ) তুমি তাদের কে বল , তোমরা যদি নিজেদের আদর্শে সত্যবাদী হও তবে চিন্তা করে দেখো যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর শাস্তি এসে পড়ে অথবা তোমাদের নিকট কিয়ামত এসে পরে তখন কি তোমরা আল্লাহ ব্যাতিত কাউকে ডাকবে ?

সুরা ইউসুফ – (১২) ১০৬  – নং আয়াত আল্লাহ বলছেন – অধিকাংশ মানুষ আল্লাহর প্রতি ইমান আনা স্বত্বেও মুশরেকদের অন্তর্ভুক্ত। কাদের কথা আল্লাহ এইখানে বলেছেন?

পীরদের চাবি

  • সুরা আল ইমরান (৩) ৩৫ নং আয়াত – এই আয়াতের  অপব্যাখ্যা করে পীররা ।বলে থাকে উছিলা ছাড়া তোমরা জান্নাতে যেতে পারবে না।

  • পীররা সাধারণত খিজির আঃ ও মুসা আঃ এর কাহিনীর অপব্যাখা দিয়ে থাকে।মুসা আঃ যখন খিজির আঃ এর কাছে জ্ঞান অর্জন করতে গেলেন, খিজির আঃ প্রথমে এক জন কে হত্যা করল, মুসা আঃ তাকে বলল আপনি এ কি করলেন ।খিজির আঃ বললেন তুমি বেশি প্রশ্ন করবে না, আমি যা জানি তুমি তা জান না – পীররা এইটা বলে থাকে পীররা যা জানে তোমরা তা জান না আর এই কাহিনী বলে থাকে মানুষদের।

পীররা বিভিন্ন দলে বিভক্ত, নিজেরা ভিন্ন ভিন্ন দল বানিয়েছে।

সুরা আল আনাম (৬)১৫৯ নং আয়াত আল্লাহ বলছেন –  নিশ্চয়ই যারা দ্বীন কে খন্ড বিখন্ড করেছেন এবং দলে উপদলে বিভক্ত হয়েছে তাদের সাথে তোমার (নবী সাঃ)কোন সম্পর্ক নেই ,তাদের বিষয়টি নিশ্চয়ই আল্লাহর হাওলায় রয়েছে।

মেশকাত শরীফ – ৩য় খন্ড – সালাউদ্দিন বই ঘর – ১৬৪ নং হাদীস -ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত নবী (সাঃ) বলেছেন -বনী ইসরাইল ৭২ দলে বিভক্ত হয়েছিল আর আমার উম্মত বিভক্ত হবে ৭৩ দলে ।আর তাদের  ১ টি দল ছাড়া সবাই জাহান্নামে যাবে।সবাই বলল হে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) সেটি কোন দল?উত্তরে হুজুর (সাঃ) বললেন আমি ও আমার সাহাবীগন যে দলে আছি সেই দল।

পীররা কেন সমস্যা?

সুরা বাকারা (১) ৭৯ নং আয়াত – আল্লাহ বলছেন – সে সব লোকের জন্য ধ্বংস (অনিবার্য)যারা হাত দিয়ে কিতাব লিখে নেয় তারপর বলে এগুলো হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে ,তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে যেন তা দিয়ে (দুনিয়াতে)কিছু কিনতে পারে।

সুরা  আল হুজুরাত (৪৯)৬নং আয়াত আল্লাহ বলছেন -হে ইমানদার ব্যাক্তিরা ,যদি কোন দুষ্ট লোক তোমাদের কাছে কোন তথ্য নিয়ে আসে তবে পরখ করে দেখবে । (কে দুষ্ট কে ভাল তা আল্লাহই ভাল জানে)

  • পীরদের কাছে যেতে যেতে মানুষরা শিরকে লিপ্ত হয়

  • কথার শিরক – কোন মানুষের কোন সমস্যা হলে মানুষ বলে থাকে ,চলো পীর এর কাছে যাই পীর এইটা ঠিক করে দিবে।আসলে কে ঠিক করে দিবে আল্লাহ না পীর?

  • অন্তরে শিরক – মানুষ আস্তে আস্তে পীর এর উপর ভরশা করা শুরু করে ।কার উপর ভরসা করা উচিৎ ?আল্লাহর উপর নাকি পীর এর উপর?

এক কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই ও এক পীর ভক্ত ভাই এর মধ্য আলাপ।

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – আসসালামু অলাইকুম – ভাই আপনাকে কিছু দিন দেখিনি কারন কি আপনি কি বাইরে কোথাও গিয়েছিলেন?

পীর ভক্ত ভাই – অলাইকুম সালাম – জী ভাই আমি একটু আমাদের পীরের দরবারে গিয়েছিলাম।

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – ভাই পীরের কাছ থেকে আপনি কি শিখলেন?

পীর ভক্ত ভাই – কিছু আমল শিখে এসেছি।

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – কি আমল শিখলেন?

পীর ভক্ত ভাই – পীর সাহেব বলেছেন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরতে, দিনে অনেক বার জিকির করতে,রাতে অতিরিক্ত নামাজ পরতে, ইত্যাদী

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – ভাই আপনি একটা বোকা।টাকা খরচ করে এতদুর গিয়েছেন।

পীর ভক্ত ভাই – কেন ভাই?

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – আপনি আপনার এলাকার যে ইমাম আছে তার কাছে জিজ্ঞাসা করলে আপনার ইমাম সাহেব এই আমল গুলো আপনাকে বলে দিত।এবং আমার জানা মতে এমন কোন ইমাম নেই যে এইগুলো জানে না।

পীর ভক্ত ভাই – তা ঠিক আছে । আমি পীর সাহেবের মুরীদ।

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই– আপনি তার কাছে কেন মুরীদ হতে গেলেন?

পীর ভক্ত ভাই– এই সিলসিলা নবী সাঃ এর সময় থেকে শুরু হয়েছে।

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – কিন্তু ভাই আমি কোন হাদিসের বইতে এরকম কিছু পাইনি।বায়াত গ্রহন আছে ইসলামে শুনেছি। (এক জনের হাতে হাত রেখে মুসলমান হওয়া)

পীর ভক্ত ভাই – ভাই এত কিছু বুঝি না ভাই ,আমার পীর সাহেব অনেক ভাল লোক।

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – আপনি কি জানেন আপনার পীর মদ খায় কিনা ? চুরি করে কিনা ?

পীর ভক্ত ভাই – নাউজুবিল্লাহ কি যে বলেন ভাই।

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – আপনি জানেন কিনা তা বলেন?

পীর ভক্ত ভাই – না জানি না ,কিন্তু আমাদের পীর ভাল।

পীর ভক্ত ভাই – আচ্ছা ভাই ধুরুন – আপনি মালি বাগ যাবেন। আর আমিও  মালি বাগ যাব – আমরা যে পথ দিয়েই যাইনা কেন, অব্যশই আমরা মালি বাগ পৌছাব, কারন আমাদের উদ্দেশ্য একটায় মালি বাগ পৌছান।

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – ভাই আপনি পৌছাবেন কিনা তা আমি জানি না। কিন্তু আমি সহজ ও সোজা পথ দিয়ে যাব।যে পথ দিয়ে আমার রাসুল (সাঃ) ও সাহাবীরা (আঃ) গিয়েছে।ভাই আপনি যে অন্য পথ দিয়ে যাবেন ঐ পথে যদি ডাকাত বা ছিন্তাইকারী থাকে?তাহলে তো আপনি আর মালি বাগ পৌছাতেই পারবেন না।যদিও পৌছান তাও অনেক দেরি হয়ে যাবে।

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই -আচ্ছা ভাই ওহীর দরজা তো বন্ধ হয়ে গেছে তাহলে পীরএর সাথে আল্লাহর কথা হয় কেমন করে?নাকি জ্বীন এর খেলা?

পীর ভক্ত ভাই – ভাই পীর দের সাথে আল্লাহর ডাইরেক্ট ।পীররা স্বপ্নের মাধ্যমে কথা বলে থাকে।

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – ভাই তাহলে আপনার কথা অনুযায়ী পীর তো নবী সাঃ এর থেকে বড় হয়ে গেল নাউজুবিল্লাহ।

পীর ভক্ত ভাই – নাউজুবিল্লাহ কি যে কন ভাই।

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – কারন নবী সাঃ প্রায় কথা বলত জীব্রাইল আঃ এর মাধ্যমে আর পীররা ডাইরেক্ট নাউজুবিল্লাহ।কে বড় হয়ে যাচ্ছে?

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – ভাই এই দেশে কইটা পীর আছে?

পীর ভক্ত ভাই – অনেক গুলো

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – এই পীররা বিভিন্ন দলে বিভক্ত?

পীর ভক্ত ভাই – জী হ্যাঁ

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – সুরা আল আনআম (৬)১৫৯ নং আয়াত আল্লাহ বলছেন  নিশ্চয়ই যারা দ্বীনকে খন্ড বিখন্ড করেছেন এবং দলে উপদলে বিভক্ত হয়েছে তাদের সাথে তোমার (নবী সাঃ এর সাথে)কোন সম্পর্ক নেই ,তাদের বিষয়টি নিশ্চয়ই আল্লাহর হাওলায় রয়েছে।

পীর ভক্ত ভাই – ভাই তা তো জানতাম না

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – ভাই আপনি কি কখনও কোরআন বাংলায় পরেছেন কখনও জানার চেস্টা করেছেন আপনার আল্লাহ আপনাকে কি কি জানিয়েছেন কোরআনে?

পীর ভক্ত ভাই – না ভাই।

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই -মানে আপনি কোরআন মন্ত্রের মত করে পরেছেন সারা জীবন?

পীর ভক্ত ভাই – যাই হোক আমি এইবার নিজের ভাষায় কোরআন বুঝে পড়ব।ভাই আপনি কি বলতে চাচ্ছেন যারা পীর তারা জান্নাতে যেতে পারবে না?বড় পীর রা?

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – তা ঠিক না ভাই কারন কিছু লোক নিস্চয় ভাল ছিল তাছাড়া পীর খানা গুলো যারা চালাই তাদের কথা বলতে চাচ্ছি আমি।আর এই লোক গুলো যারা মারা গেছেন তারা কখনই বলেননি আমি পীর আমাকে অনুসরন করো।

পীর ভক্ত ভাই – ভাই তাহলে আমাদের ৪ ইমাম? হানাফী , সাফেয়ী , মালেকী , হাম্বলী এই লোক গুলো কি ইসলাম কে কি ভাগ করেনি?

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – ভাই এই ৪ ইমামদের নাম নেওয়ার সাথে সাথে (রহঃ) বলতে হই আপনার পীর এইটা আপনাকে শিক্ষা দেননি?

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – না ৪ ইমাম কখনই বলেননি আমাকে অনুসরন করো।কিন্তু কিছু লোক যারা এইটা করেছে তারা কি খুব খারাপ করেনি?আমরা মুসলমান রা বিভিন্ন দলে বিভক্ত নয় কি?

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – সুরা আল ইমরান (৩)১০৩ নং আয়াত আল্লাহ বলছেন তোমরা সাবাই মিলে আল্লাহর রশি কে শক্ত করে আকরে ধরো ও কখনও পরস্পর বিছিন্ন হয়ো না।  (রশি মানে কোরআন ও সহী হাদীস ) আল্লাহ পীর ধরতে বলেনি।পীর ধরা শিরিক।

পীর ভক্ত ভাই – ভাই পীরদের কাছে গেলে শিরিক হয় নাকি ?

কোরআন সুন্নাহ জানা ভাই – হ্যাঁ ভাই কারন মানুষ বিপদে পরলে মসজিদে না যেয়ে পীর এর দরবারে যায়। তার মানে কি দ্বারায়?পীর দেওয়ার মালিক?আপনি আল্লাহ বাদে আরেক জনের কাছে চাচ্ছেন।যে কোন উছিলা মানে শিরিক।

coming soon—

১।পীর চাইলে আমাদেরকে জান্নাতে নিয়ে যেতে পারে !(নাউজুবিল্লাহ) –mail

আমাদের বড় পীর মোহাম্মদ (সাঃ) তার নিজের বংশের অনেক  মানুষকে জান্নাতে নিতে পারবে না – তাহলে আপনার পীর কি করে আপনাকে জান্নাতে নিতে পারবে? তবে কি আপনার পীর মোহাম্মদ (সাঃ)  থেকে বড়?(নাউজুবিল্লাহ)

২।পীরদের অনেক ক্ষমতা  কিছু অলৌকিক ক্ষমতাও আছে !(নাউজুবিল্লাহ)–mail

  • পীররা কিছু অলৌকিক দেখায় ,ঠিক এই একই কাজ কিছু nonmuslim লোকদের পুরোহিত বা বাহ্মন বা ফাদার দেখায় ,তাহলে এইযে nonmuslim তাদের সাথে কি আল্লাহর সম্পর্ক আছে ?এই লোকগুলো তো নামাযই পড়ে না।

  • এই উম্মতের শ্রেস্ট উম্মত সাহাবী গন। তাদের জিন্দেগিতে একটা করে কেরামতি হয়নি সব সাহাবীর ,(সাহাবিদের জীবনী পরলে জানতে পারবেন) কিছু কিছু সাহাবীর  একটা বা ২টা করে কেরামতি হয়েছে ।আর আমাদের দেশে পীরদের কেরামতির ছড়াছড়ি।তাহলে কি পীররা বড় সাহাবীদের থেকে?(নাউজুবিল্লাহ)

৩।পীররা কি নবী (সাঃ) থেকে বড়?(নাউজুবিল্লাহ)–mail

পীরদের নিজেদের কথা অনুযায়ী তারা নবী সাঃ থেকে বড় (নাউজুবিল্লাহ)। নবী (সাঃ) এর কাছে  অধিকাংশ সময় জিব্রাইল (আঃ) এর মাধ্যমে ওহী নাযিল হত।আর পীররা বলে থাকে তাদের সাথে আল্লাহর সরাসরি কথা হয় (স্বপ্নের মাধ্যমে বা সরাসরি)।তাহলে কে বড় হয়ে যায় ? একটু চিন্তা করে দেখুন তো আপনাকে আপনার পীর কোন পথে নিয়ে যাচ্ছে ?

৪।পীররা কি গায়েব জানে?(নাউজুবিল্লাহ)–mail

না -গায়েবের খবর শুধু মাএ আল্লাহ জানেন

সুরা আনআম (৬) ৫৯ নং আয়াত -গায়েব বা অদৃশ্যর চাবিকাঠি তারই ( আল্লাহর )নিকট আছে ,তিনি ছাড়া আর কেউও তা জ্ঞাত না।

৫।পীররা আল্লাহর কাছে সুপারিশ করতে পারে! একটা খুব সুন্দর হাদিস আসুন দেখি এই হাদিস থেকে কি কি পাওয়া যায়।–mail

মেশকাত শরীফ – সালাউদ্দিন বই ঘর – ৫৩৩৫ নং হাদিস – আনাস ( রাঃ) থেকে বর্ণিত নবী (সাঃ) বলেছেন কেয়ামতের দিন ইমানদারদেরকে আটকে রাখা হবে ।এতে তারা চিন্তিত ও অস্হির হয়ে পড়বে এবং বলবে যদি আমরা আমাদের রবের কাছে কারও  দ্বারা সুপারিস করাই তা হলে হইতো বর্তমান সন্কট থেকে মুক্তি পেতে পারি ।তখন তারা আদম আঃ কে গিয়ে বলবে আপনি সমগ্র মানব জাতির পিতা ,আল্লাহ নিজ হাতে আপনাকে তৈরী করেছেন ,জান্নাতে বসবাসের সুযোগ দিয়েছে ,ফেরেস্তা দের দিয়ে আপনাকে সিজদাহ করিয়েছেন ।আপনি আমাদের জন্য রবের কাছে সুপারিশ করেন যাতে তিনি আমাদের এ কষ্ট থেকে মুক্ত দান করেন।তখন আদম আঃ বলবে আমি তোমাদের এই কাজের জন্য উপযুক্ত নই।নবী (সাঃ) বলেন তখন আদম আঃ গাছ থেকে খাওয়ার গুনাহের কথা স্বরন করবেন ,যা তাকে নিষেধ করেছিলেন।এবং বলবে তোমরা নুহ আঃ এর কাছে যাও ,তারা তখন নুহ আঃ এর কাছে যাবে এবং একই কথা বলবে ,তখন নুহ আঃ বলবে আমি তোমাদের এই কাজের জন্য উপযুক্ত নই ,নুহ আঃ তখন স্মরণ করবে তার নিজের ছেলেকে পানিতে না ডুবাবার  জন্য তিনি রবের কাছে যে প্রার্থনা করেছিলেন।তখন নুহ আঃ বলবেন তোমরা ইব্রাহিম আঃ এর কাছে যাও ।তখন তারা ইব্রাহিম আঃ এর কাছে যাবে একই কথা বলবে উত্তরে ইব্রাহিম আঃ বলবে আমি তোমাদের এই কাজের জন্য উপযুক্ত নই । তিনি তিনটি উক্তির কথা স্মরণ করবে । তিনি বলবে তোমরা মুসা আঃ এর কাছে যাও ,তখন তারা মুসা আঃ এর কাছে যাবে এবং একই কথা বলবে উত্তরে মুসা আঃ বলবে আমি তোমাদের এই কাজের জন্য উপযুক্ত নই ,নবী সাঃ বলেন তখন মুসা আঃ প্রান নাশের গুনাহের কথা মনে করবে।মুসা আঃ বলবে তোমরা ইসা আঃ এর কাছে যাও।তখন তারা ইসা আঃ এর কাছে যাবে এবং একই কথা বলবে উত্তরে ইসা আঃ বলবে আমি তোমাদের এই কাজের জন্য উপযুক্ত নই তোমরা বরং মোহাম্মদ সাঃ এর কাছে যাও ।নবী সাঃ বলেন তারা তখন আমার কাছে আসবে।তখন আমি আমার রবের কাছে তার দরবারে হাজির হওয়ার অনুমতি পার্থনা করব ,আমাকে তার কাছে যাবার অনুমতি দেওয়া হবে ।আমি যখনই তাকে দেখব তখনই তার উদ্দেশে সেজদায় পড়ে যাবো ।আল্লাহ আমাকে যতক্ষন চাইবেন এ অবস্তায় রাখবেন । তারপর বলবেন হে মোহাম্মদ সাঃ মাথা উঠান ।আর বুলুন আপনার কথা শুনা হবে,আপনি সুপারিশ করুন ,তা কবুল করা হবে ।প্রার্থনা করুন যা চাইবেন দেয়া হবে ।নবী সাঃ বলেন তখন আমি মাথা উঠাবো এবং আমার রবের এমন ভাবে প্রশংসা করবো যা তিনি আমাকে শিখেয়ে দিবেন ।অতঃপর আমি শাফায়েত করবো কিন্তু এ ব্যাপারে আমাকে একটি সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে।তখন আমি আল্লাহর দরবার থেকে উঠে আসব এবং নির্দিস্ট লোক গুলোকে জাহান্নাম থেকে বের করে জান্নাতে প্রবেশ করাব।এভাবে নবী সাঃ তিন বার শাফায়েত করবেন ।

  • আল্লাহর প্রিয় নবী বা রাসুলরা (আঃ) রা শাফায়েত করতে চাবে না বা ভয় পাবে আর আপনাদের পীর রা শাফায়েত করবে ?

  • মোহাম্মদ সাঃ শাফায়েত করবে তা আল্লাহ তাকে শিখিয়ে দিবেন ,আর আপনাদের পীর এইটা আগের থেকেই জানে ?

৬। বায়আত গ্রহন।–mail

  • বায়আত গ্রহন করবেন করেন , আপনার বাবা,দাদা কোন প্রতিবেশী বা আবেদ নেই যে ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান রাখে  ?মসজিদের ইমাম নেই ?পীর কেন ?আর আপনি কেন ,আপনার বাবা বা দাদা বা নানা বা চাচা কে পীর মনে করতে পারছেন না?

৭। আমি তোমাদের মাঝে নুর ও কিতাব পাঠিয়েছি এর মানে কি? মোহাম্মদ সাঃ কি নুরের তৈরী?–mail

  •  আমি তোমাদের মাঝে নুর পাঠিয়েছি যার মানে মোহাম্মদ সাঃ কে বুঝানো হয়েছে।যখন মানুষ বেইজ্জত হয় তখন আল্লাহ তাদের আক্কেলটা হযখ করে দেয়।মোহাম্মদ সাঃ ছিলেন নুর সে মানুষ কে নুর দিয়েছে ,সঠিক পথের দিশা দিয়েছে ।তার নুরের কারনে আমরা মুসলমান ।কিন্তু তিনি নুরের তৈরী না ।তার শরীর ছিল আর দশ জনের মত ।তিনি যুদ্ধে গিয়েছেন ,ক্ষত হয়েছেন,তার রক্ত বের হয়েছে ,তার দাত ভেঙ্গেছে, আমরা আমাদের দেশে হালুয়া খেয়েছি, বিদায়াত কিছু দিন করেছি ।ফেরেস্তাদের কি দাত ভাঙ্গে?তারা কি বিয়ে করে,তাদের কি ছেলে মেয়ে হই?তারা কি কিছু খাই?

  • সুরা কাহফ (১৮) ১১০ নং আয়াত – আল্লাহ বলছেন – তুমি বলঃ আমি তো তোমাদের মতই একজন।

  • সুরা সোয়াদ (৩৮)৭১ নং আয়াত- আল্লাহ বলেছেন – আমি মানুষকে সৃস্টি করেছি মাটি হতে ।(বাসার)

৮। মোহাম্মদ সাঃ নাকি রাসুল হয়ে দুনিয়াতে এসেছেন?–mail

  • তাহলে তার বক্ষ বিদারন করা হল কেন?

৯ । পীরদের মাজারে গেলে সন্তান পাওয়া যায় ?–mail

  • সুরা আস শুরা (৪৯) – তিনি (আল্লাহ )যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন যাকে ইচ্ছা পুএ সন্তান দান করেন।

  • সন্তান হয় না সন্তান হয় না, আর আপনি যেই পীরের মাজারে গেলেন তারপর  আপনার সন্তান হলো।আল্লাহ আপনাকে ঐ সময় সন্তান দিলেন এবং আপনাকে পরীক্ষায় ফেলে দিলেন ,যে বান্দা যা চোখে দেখল তা বা পীর বিশ্বাস করল ,নাকি আল্লাহর  উপর বিশ্বাস করল।আপনি কি করে বুঝবেন?

১০ । সব পীররা কি খারাপ??( যেমন – শাহজালাল রহঃ,খানজাহান রহঃ )–mail

  • এই লোক গুলো ভাল না খারাপ তা জানা নেই ।আপনি কি জানেন?যতদুর জানি এই লোক গুলো ভাল ছিল, তাদের জন্য দোয়া করি । এই লোক গুলো যে পীর তা আপনি কি করে জানলেন?এই সব সার্টিফিকেট কে আপনাদের দিতে বলেছেন?সার্টিফিকেট এর মালিক এক মাএ আল্লাহ ।হাদিস কোরাআনে কোথাও আছে এই লোক গুলো পীর?এই লোক গুলো  নিজেরাও কখনও কি বলেছেন আমি বা আমরা পীর?আমি বা আমরা মারা যাওয়ার পর তোমরা আমার কবর খুব সুন্দর করে সাজাবে ?তিনি বা তারা যদি না বলে থাকেন তাহলে যারা এইটা করেছেন তারা কি ভুল করেনি তাদেরকে পীর বানিয়ে ?তাদের নামে টাকা কামাচ্ছে কিছু বদ লোক আর মাঝখান থেকে মুসলিম উম্মাহ কে বিভক্ত করেছে।এক পীরের সাথে আরেক পীরের দ্বন্ড।যত পীর তত দল।আসুন দেখি আল্লাহ কি বলছেন এদের সম্পর্কে।

  • সুরা আল আনাম (৬)১৫৯ নং আয়াত আল্লাহ বলছেন  নিশ্চয়ই যারা দীন কে খন্ড বিখন্ড করেছেন এবং দলে উপদলে বিভক্ত হয়েছে তাদের সাথে তোমার (নবী সাঃ )কোন সম্পর্ক নেই ,তাদের বিষয়টি নিশ্চয়ই আল্লাহর হাওলায় রয়েছে।

***********************************************************

আর কোন প্রশ্ন থাকলে বা পীর সম্পর্কে কিছু জানলে comments করুন

(নিস্চয় ভাল কাজ মোমিন মানুষের লক্ষন।এইগুলো মানুষের কাছে পৌছে দিয়ে কিছু সওয়াবের অধিকারি হন।দয়া করে পেজটি শেয়ার করতে ভুলবেন না ভাই ও বোনেরা ধন্যবাদ )




  1. jini blog e prosno utthapon kari, tar kase prosno, islame kheladhular onumoti shomporke kisu likhben?

  2. আসসালামু আলাইকুম, আপনাদের ওয়েব সাইটটি আমার খুব ভাল লেগেছে। আমার কাছে অনেক গুলো ভন্ড পীরের ভিডিও ক্লিপ আছে, আপনারা চাইলে এগুলো আপলোড করে সাধারন মানুষকে সচেতন করতে পারেন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে কুরআন ও সহীহ হাদিস অনুযায়ী চলার তাওফিক দান করুক।
    আমীন।।

    আর মফিজুল ইসলাম মফিজ ভাইকে আমার আন্তরিক সালাম ও মুবারকবাদ।

  3. পীর সম্পর্কে মুল্যবান আলোচনা করার জন্য আপনাদেরকে জানাই আন্তরিক সালাম ও মোবারকবাদ|আমি জানতে চাই,সূফিবাদ বা পীরতন্ত্রের জন্ম হলো কিভাবে? বর্তমান পীর সাহেবরা “ইসলামের”মধ্যে নিজেদের স্থান দখল করে নিয়েছে,কিন্তু কিভাবে করলো?

  4. If you are truly a Muslim pls explain the Quranic verse : Sura Mayeda (Ayat-35)…..& (Ayat-15)
    Where Allah (SWT) Says : …… Kad Za akum Minallahi Nurwo Wa Kitabum Mubin. (Ayat-15)

    = Means Allah (SWT) send His Nur first then comes the Kitab.

    In Tafeer of this verse a large no.of top grated Tafseer(about 38 books both written by 4 IMAM followeres) stated that_ Every parts of our beloved Prophet Muhammad (SAW) inside/outside is made of NUR

    Hope you will answer…. then we will talk about others (Inshallah)

    Otherwise its time for you to realize if are you a Hussaine Muslim or Yazide.

  5. If you are truly a Muslim pls explain the Quranic verse : Sura Mayeda (Ayat-35)…..& (Ayat-15)
    Where Allah (SWT) Says : ……

    Kad Za akum Minallahi Nurwo Wa Kitabum Mubin. (Ayat-15)

    Means Allah (SWT) send His Nur first then comes the Kitab.

    In Tafeer of this verse a large no.of top grated Tafseer(about 38 books both written by 4 IMAM followeres) Stated that our beloved prophet Muhammad (SAW) is a NUR (his every parts of the body inside/outside is NUR).

    Hope you will answer….first correct your akida then we will talk about others (Inshallah)

    Otherwise its time for you to realize are you a Hussaine Muslim or Yazide.

  6. যে ব্যাক্তি বাইয়াত হওয়া ছাড়া মৃত্যু বরন করবে সে জাহেলী যুগের বেইমানদের মত বেইমান(ইমানহীন) হয়ে মারা যাবে। (মুসলিম, ২য় খন্ড, ১২৮ পৃ।)

    এর কি উত্তর?

  7. >>৪ইমাম বলেননি আমাকে অনুসরন করো তারা বলেছে আল্লাহর রাসুল সাঃ কে অনুসরন করতে কিন্তু মানুষ এইরকম বানিয়ে ফেলেছে মানুষ।আর এই ৪ ইমাম বা আরও অনেক আলেম আছে যারা নবী সাঃ এর অনেক সুন্নতগুলোকে জীবন্ত রেখেছে এতে সন্দেহ নেই ।
    >>কিন্তু আমাদের দেশের মুসলিমরা এত ভাগ কেন?এদের এক করার জন্য কি কোন বাবস্তা আমরা চিন্তা করি ?
    >>আর ৪ তরিকা মানে?তরিকা একটাই যেইটা আল্লাহর রাসুল দেখিয়ে গেছে আর সাহাবিরা মেনে গেছে ।একটা হাদিসই আছে যেখানে নবী সাঃ মাটিতে দাগ টেনে দেখিয়েছে সোজা পথ টাই জান্নাতের দিকে গেছে বাকি গুলো গোমরাহি।আর ৪ তরিকার কোন তরিকা ইমাম মেহেদী আর ইসা আঃ মানবে ?একই তরিকা যে তরিকার উপর সাহাবিরা অটল ছিল।
    >>যারা পারবে না এই পথে অটল থাকতে তারা বিভিন্ন বাহানা দিয়ে থাকে
    >>আর আসলেই (পীর) যারা ভাল লোক ছিল তাদের কবর কে নিয়ে অনেকেই বাবসা করেছে এইটা কি আপনারা অস্বীকার করতে পারবেন?

  8. ini batil firka ahle hadiser onusari.4 imam(r) somporke mostoboro wrong information disen.MUHAMMAD(PBUH) ER SOMPURNO JIBONER SUNNOTKE ALLAH SWT JINDA RAKHSEN EI 4 IMAM(R) ER MADHDHOME.MUHAMMAD(PBUH) ER SOMOSTO SUNNOT EKSATHE KONO MUSOLMAN PALON KORTE PARBENA R SUBIDHAMOTO SUNNOT PALON KORLE SETA R ISLAM THAKTONA.TAI EI 4 IMAM(R) ER MADHDHOME 4 TA SYSTEM TOIRI KORE MUHAMMAD(PBUH) ER SOMOSTO SUNNOT JINDA RAKHA HOISE

    • সালাফিরা তাদের সুবিধা মত সুন্নত পালন করে না কিন্তু বাকিরা সবাই তাই করে ।আর সহি হাদিস হলে সালাফিরা বাধ্যতার সাথে মেনে নেই এবং পালন করে আর বাকিরা শুধু যুক্তি দেই এইজন্য সালাফিরা বাধ্য হয়ে যুক্তি দিয়ে থাকে

  9. আমি জা জানি তা থেকে বুঝতে পারলাম হক্কানি রব্বানী আলেম ওলামারা , পীর মশায়েখরাও আপনাদের কথা মতে মূখ কিংবা জাহেল ছিল ??? যেমন হযরত আবদুল হক মুহাদ্দেছ দৃহলভী যাকে না মানলে এই উপমহাদেশে হাদিছ আর পাওয়া যাবেনা , আপনি যে হাদিছ এইখানে পোষ্টে দিলেন তাও এই মুহাদ্দিছের বদৌলতে পেয়েছন , এই ব্যক্তীর ছেয়ে কোরান হাদিছ আপনি বেশী বুঝেন না , তিনও পীর আউলিয়ার , ওছিলা ইত্যাদির কথা তাঁর কিতাব ” আল কাওলুল হক ” এ বিস্তারিত আলোছনা করেন & এ সব কিছুকে সুন্নত বলেছেন . আমরা আপনার উল্লেখিত বিষয় নিয়ে মুনাজরা করতে চায় & প্রমান করতে চায় আপনি ভন্ড্‌ , দজ্জাল । আসুন মুনাজেরাতে বসি ।।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: